Academy

রবিউল আলম জীবনে অনেক অন্যায় করেছেন। কখনো ধর্মের বিধান মেনে চালার কোনো চেষ্টাই তিনি করেননি। ফলে তার আত্মা কলুষিত হয়ে পড়েছে। সম্প্রতি একটি সড়ক দুর্ঘটনায় তিনি অল্পের জন্য বেঁচে যান। এখন তিনি নিয়মিত সালাত আদায় করছেন। ফলে তার মধ্যে এক ধরনের আত্মিক প্রশান্তি সৃষ্টি হয়েছে। তিনি আত্মশুদ্ধির আনন্দ লাভ করেছেন।

Created: 1 year ago | Updated: 8 months ago
Updated: 8 months ago
Ans :

অর্থের সাথে সম্পর্ক থাকায় হজ সর্বজনীন ইবাদত নয়। হজ একটি দৈহিক, আত্মিক ও আর্থিক ইবাদত। নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষেই কেবল হজ কোনো ব্যক্তির ওপর ফরজ হয়। এক্ষেত্রে দৈহিক ও আর্থিক সামর্থ্য প্রধান দুটি শর্ত। কিন্তু এই পৃথিবীতে সবার একই সাথে দৈহিক ও আর্থিক সামর্থ্য না থাকাটাই স্বাভাবিক। তাই যাদের ক্ষেত্রে এ দুটি শর্ত পূরণ হয় কেবল তাদের জন্যই হজ ফরজ।

1 year ago

তাসাউফ

**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View More

জাউদ্দীপকে সালাতের আধ্যাত্মিক গুরুত্বের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। সালাত একটি আনুষ্ঠানিক ও দৈহিক ইবাদত। তবে সালাতের মূল আবেদন আত্মিক ইবাদত হিসেবে। সালাত মানুষের আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে মানসিক প্রশান্তি সৃষ্টি করে। এটি সালাতের আধ্যাত্মিক গুরত্বেরই প্রতিফলন। উদ্দীপকেও রবিউল আলম সালাতের আধ্যাত্মিক গুরুত্বের ফলভোগী হয়েছেন।

রবিউল আলম কিছুদিন পূর্বেও ধর্ম-কর্মে মনোযোগী ছিলেন না। তার আত্মা ছিল কলুষিত। কিন্তু সালাত আদায় করার অভ্যাস গড়ে তোলার মাধ্যমে তিনি তার আত্মাকে পরিশুদ্ধ করতে সক্ষম হয়েছেন। প্রকৃতপক্ষে সালাতের মাধ্যমে মানবাত্মা আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করে। কাঙ্ক্ষিত প্রিয় সত্তার সান্নিধ্য লাভ করায় আত্মার উৎকণ্ঠা ও অস্থিরতা দূর হয়ে যায়। তার মধ্যে প্রশান্তি বিরাজ করে। ফলে আত্মার সার্বিক অবস্থানে স্থিরতা ও তৃপ্তি নেমে আসে। উদ্দীপকের রবিউল আলমের ক্ষেত্রেও এমনটি হয়েছে। সালাত আদায়ের মাধ্যমে তার কলুষিত আত্মা আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের মাধ্যমে প্রশান্তি লাভ করেছে। সুতরাং দেখা যায়, রবিউল আলমের আত্মিক উন্নয়নের মধ্য দিয়ে সালাতের আধ্যাত্মিক তাৎপর্যই প্রতিফলিত হয়েছে। 

রবিউল আলম আত্মাকে পরিশুদ্ধ করার জন্য সালাত আদায়ের পাশাপাশি আল্লাহর জিকর, তাবলিগ, সৎ গুণাবলির অনুসরণ, তওবা ও মাগফিরাত কামনা করতে পারেন।

মানুষের চালিকাশক্তি ও জীবনীশক্তি হলো আত্মা। আত্মা সুস্থ থাকলে মানুষও সুস্থ থাকে। আর আত্মাকে পরিশুদ্ধ ও সুস্থ রাখার জন্য তাসাউফের অনুসরণের কোনো বিকল্প নেই। উদ্দীপকের রবিউল আলমও তাসাউফের চর্চা সাধানার মাধ্যমে পরিপূর্ণ আত্মিক প্রশান্তি লাভ করতে পারেন।

রবিউল আলম নিয়মিত সালাত আদায় করেন। আত্মাকে সুস্থ রাখতে তিনি সালাত আদায়ের সাথে সাথে বেশি করে আল্লাহর জিকর করতে পারেন। আবার নিজে সৎ পথে চলার পাশাপাশি তিনি অন্যকেও সৎ কাজের জন্য উৎসাহিত করতে পারেন। এর ফলে তার আত্মা সুস্থ ও পবিত্র থাকবে। তাছাড়া তিনি রাসুলুল্লাহ (স) ও তার সাহাবি (রা) গণের জীবনের সৎগুণাবলির অনুসরণের মাধ্যমেও আত্মাকে পরিশুদ্ধ করতে পারেন। তবে তিনি যেহেতু পূর্বে অনেক অন্যায় করেছেন, সেহেতু সব সময় আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে পারেন। তওবার মাধ্যমে ভবিষ্যতে অন্যায় না করার দৃঢ় প্রত্যয় জ্ঞাপন করলে তার আত্মা আরও প্রশান্তি লাভ করবে।

এভাবে ওপরের কাজগুলোর মাধ্যমে তিনি আত্মিকভাবে লাভবান হতে পারেন। পরিশেষে বলা যায়, উল্লিখিত বিষয়গুলো তাসাউফ চর্চারই নামান্তর। তাই তাসাউফ চর্চা ও সাধনার মাধ্যমেই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে আত্মিক প্রশান্তি লাভ করা সম্ভব।

হযরত উমর (রা) এর মৃত্যুর পর তার কন্যা হযরত হাফসা (রা)-এর কাছে আল কুরআন সংরক্ষিত ছিল।

পরকালীন জীবনের মতো পার্থিব জীবনের ওপরও আল কুরআন গুরুত্বারোপ করেছে। মহানবি (স) বলেছেন, 'দুনিয়া আখিরাতের শস্যক্ষেত্র'। অর্থাৎ পার্থিব জীবনের কর্মকাণ্ডের ওপর ভিত্তি করেই পরকালীন সাফল্য বা ব্যর্থতা নির্ধারিত হবে। তাই কুরআন মানুষকে পার্থিব সাফল্য ও কল্যাণ লাভের নির্দেশ প্রদান করেছে। সুরা বাকারার ২০১নং আয়াতে বলা হয়েছে- হে আমাদের প্রভু। আমাদেরকে পৃথিবীতে কল্যাণ দিন। আখিরাতে কল্যাণ দিন।'

ঘটনা-১-এ উল্লিখিত আন্তর্জাতিক সমস্যা সমাধানে আল কুরআন অনুসরণ প্রয়োজন। মানবজীবনে আন্তর্জাতিক সমস্যার মধ্যে রয়েছে- দেশে-দেশে, জাতিতে-জাতিতে বর্ণ ও অঞ্চলগত সংঘাত, জবরদখল, যুদ্ধ ইত্যাদি ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড। আল কুরআন মানবজীবনের সাথে সম্পর্কিত নানা সমস্যার কার্যকর সমাধান প্রদান করে। এ গ্রন্থ দ্বন্দ্ব-সংঘাতকে মূলোৎপাটিত করে একটি শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়ে তোলার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছে। বিশ্বমানবতাকে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ করে সকলের কল্যাণ কামনা করাই আল কুরআনের বিধান। আর ঘটনা-১-এ বর্ণিত সমস্যা সমাধানে এ বিধানের বাস্তবায়নই জরুরি।

ঘটনা-১ এ দেখা যায়, 'ক' দেশটি অন্যায়ভাবে 'খ' দেশটি দখল করতে চাচ্ছে। আর এজন্য তারা 'খ' দেশে নানা ধরনের অপতৎপরতা চালাচ্ছে। কুরআনের নির্দেশ তাদের এ ধরনের ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপকে সমর্থন করে না। কুরআন মানুষকে পরস্পরের প্রতি সহনশীলতা ও মানবপ্রেমের নীতি অনুসরণের নির্দেশ দিয়েছে। মানুষের ওপর থেকে জুলুম, অশান্তি বন্ধে প্রয়োজনে সন্ধি (শান্তি চুক্তি) বা কঠোরতা অবলম্বনের নির্দেশ রয়েছে কুরআনে। আবার ফিতনা, ফাসাদ দূরীকরণেও কুরআন স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছে। বলা হয়েছে- 'তোমরা ততক্ষণ পর্যন্ত যুদ্ধ করো, যতক্ষণ না ফিতনা-ফাসাদ দূরীভূত হয় এবং দীন শুধু আল্লাহর জন্য হয়' (সুরা বাকারা-১৯১)। সুতরাং দেখা যায়, কুরআনের উল্লিখিত নির্দেশনা বাস্তবায়ন করে ঘটনা-১-এ বর্ণিত সমস্যার সমাধান সম্ভব।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...